Sunday, March 27, 2016

গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র :

ওম ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায়
চঃ জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায়
নমঃ॥

Saturday, January 30, 2016

শ্রীকৃষ্ণ প্রণাম মন্ত্র:


হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎ
পতে ।

Monday, December 28, 2015

সত্যানুসরণ

সূচনা
পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকুলচন্দ্রের অন্যতম প্রিয়ভক্ত অতুলচন্দ্র ভট্টাচার্য্য। কর্মজীবন তাকে পাবনা থেকে দূরে নিয়ে যাবে। বিরহ-বিচ্ছেদকাতর ভক্ত প্রেমাশ্রু-ধারায় প্রার্থনা করল, নিরন্তর দিব্য ভাবধারায় অনুপ্রাণিত থাকতে পারে এমনতর শ্রীহস্তলিখিত অমৃত-নির্দ্দেশ! বাংলা ১৩১৬ সালে মাত্র ২২বৎসর বয়সে শ্রীশ্রীঠাকুর এক নিশায় লিপিবদ্ধ করে দিলেন তাঁর অমৃত-নিষ্যন্দী স্বতঃউৎসারী বাণী। ভক্তের প্রির্থনা নামিয়ে নিয়ে এল পৃথিবীর বুকে মন্দাকিনীরর পুন্যধারা যা' সন্জীবিত ক'রে রাখবে তাকে এবং যুগ যুগ ধরে প্রতিটি মানুষকে।

Friday, June 19, 2015

পৌষ্যপর্ব্ব-জনমেজয় শাপ | সোমশ্রবা ঋষির উপখ্যান | আয়োধধৌম্য ও আরুণিবৃত্তান্ত | উপমন্যু উপাখ্যান | বেদ ঋষি উতঙ্ক-বৃত্তান্ত | জনমেজয়ের সর্পযজ্ঞ প্ররোচনা

তৃতীয় অধ্যায়
পৌষ্যপর্ব্ব-জনমেজয় শাপ
উগ্রশ্রবাঃ কহিলেন, কুরুক্ষেত্রে পরীক্ষিতপুৎত্র রাজা জনমেজয় ভ্রাতৃগণ সমভিব্যাহারে এক দীর্ঘ-সত্র [দীর্ঘকালব্যাপী যজ্ঞ] অনুষ্ঠান করিতেছেন। তাঁহার তিন সহোদর– শ্রুতসেন, উগ্রসেন ও ভীমসেন। তাঁহাদিগের যজ্ঞানুষ্ঠানকালে একটা কুক্কুর তথায় উপস্থিত হইল। জনমেজয়ের ভ্রাতৃগণ ক্রোধান্ধ হইয়া তাহাকে প্রহার করিলে সে রোদন করিতে করিতে মাতৃসন্নিধানে গমন করিল। সরমা তাহাকে অকস্মাৎ রোদন করিতে দেখিয়া কহিল, “তুমি কেন কাঁদিতেছ?

Wednesday, June 17, 2015

সমন্তপঞ্চকোপাখ্যান | অক্ষৌহিণী-পরিমাণ | পর্ব্বসংগ্রহ | শ্লোকসংখ্যা

সমন্তপঞ্চকোপাখ্যান
ঋষিগণ কহিলেন, “হে সূতনন্দন! আমরা ভারতের অনুক্রমণিকা শুনিলাম, এক্ষণে সমন্তপঞ্চক নামক যে তীর্থের উল্লেখ করিয়াছ, তাহার যাহা কিছু বর্ণনীয় আছে সমুদয় শ্রবণ করাইয়া আমাদিগকে চরিতার্থ কর।” ঋষিদিগের এইরূপ প্রার্থনাবাক্যে সন্তুষ্ট হইয়া অতি শিষ্টপ্রকৃতি সৌতি কহিতে লাগিলেন, হে ব্রাহ্মণগণ! আমি আপনাদিগের সম্মুখে সমন্তপঞ্চক তীর্থের বৃত্তান্ত ও অন্যান্য কথা প্রসঙ্গক্রমে সমুদয় কীর্ত্তন করিতেছি, অবধান করুন।
অদ্বিতীয় বীর পরশুরাম ত্রেতা ও দ্বাপর যুগের সন্ধিতে পিতৃবধ-বার্ত্তা শ্রবণ করিয়া ক্রোধপরায়ণ হইয়া এই পৃথিবীকে একবিংশতিবার নিঃক্ষৎত্রিয়া করেন। তিনি স্ববিক্রম-প্রভাবে নিঃশেষে ক্ষৎত্রিয়কুল উৎসন্ন করিয়া সেই সমস্তপঞ্চকে শোণিতময় পঞ্চহ্রদ প্রস্তুত করেন। শুনিয়াছি, তিনি রোষপরবশ হইয়া সেই হ্রদের রুধির দ্বারা পিতৃলোকের তর্পণ করিয়াছিলেন। অনন্তর ঋচীক প্রভৃতি পিতৃগণ তথায় আগমন করিয়া পরশুরামকে কহিলেন, “হে মহাভাগ রাম!

অনুক্রমণিকাধ্যায় – নৈমিষারণ্যে সূতের আগমন | সৃষ্টিবর্ণন | ভারতলেখনার্থ গণেশের স্মরণ | ধৃতরাষ্ট্রাদির জন্ম | মহাভারতের সংক্ষিপ্তাসার | ধৃতরাষ্ট্রের বিলাপ | ধৃতরাষ্ট্রের প্রতি সান্ত্বনা | মহাভারত প্রশংসা ।

০১.অনুক্রমণিকাধ্যায় –

নৈমিষারণ্যে সূতের আগমন |
সৃষ্টিবর্ণন |
ভারতলেখনার্থ গণেশের স্মরণ |
ধৃতরাষ্ট্রাদির জন্ম |
মহাভারতের সংক্ষিপ্তাসার |
ধৃতরাষ্ট্রের বিলাপ |
ধৃতরাষ্ট্রের প্রতি সান্ত্বনা |
মহাভারত প্রশংসা

জগন্নাথের কথা——-

জগন্নাথের স্নানযাত্রার পর মন্দির পনরো দিন পর্যন্ত বন্ধ থাকে।জগন্নাথের জ্বর হয়। পনরো দিন পর মন্দির খোলা হয়। নয়নকল উৎসবে নয়ন খুলবে। জগন্নাথকে সাজানো হয়। জগন্নাথের স্নান, জগন্নাথের জ্বর, এছাড়া অনেক কথা আছে। আমি কিছুটা জানি তা লিখছি।
শ্রীক্ষেত্র পুরী হল মর্ত্যের বৈকুন্ঠ, দ্বারকা। পুরী মন্দিরের চারটা দরজা। অশ্ব,হস্তি, ব্যাঘ্র, সিংহ। অশ্ব-অর্থ, হস্তি-মোক্ষ,ব্যাঘ্র-কাম, সিংহ-ধর্ম। জগন্নাথ সিংহ দরজা দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে। মহাপ্রভুও এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেন জগন্নাথ দর্শনে। হস্তি দরজা দিয়ে জগন্নাথ বের হয় সমাধিতে যাওয়ার জন্য। দরজা বন্ধ থাকে সবসময়। শুধু জগন্নাথ সমাধিতে যায় এই দরজা দিয়ে।